1. dev@desher.news : Admin : desher news
শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০১:৫২ পূর্বাহ্ন

সিরিজের প্রথম ম্যাচ জিতে শুভ সূচনা করতে চায় বাংলাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ৩১ আগস্ট, ২০২১

‘দেশে ফিরে গিয়ে বলতে চাই, আমরা বাংলাদেশে একটি সিরিজ জিতেছি’- এই কথা বলেছেন বাংলাদেশে আসা নিউ জিল্যান্ডের পেসার হামিশ বেনেট। এই সফরে থাকা একমাত্র ক্রিকেটার তিনি, যার আগেও বাংলাদেশে খেলার অভিজ্ঞতা হয়েছে। ২০১০ সালে ওইবার ৪-০ তে ওয়ানডে সিরিজ হারের তিক্ত স্বাদ পান বেনেট। বাংলাদেশে সব মিলিয়ে গত ১১টি দ্বিপাক্ষিক ম্যাচ খেলে একটি জিতেছে কিউইরা। তাদের জন্য বাংলাদেশে সিরিজ জেতা কতটা আকাঙ্ক্ষিত সেটাই প্রকাশ পেয়েছে বেনেটের কথায়। তবে নিউ জিল্যান্ডের অনভিজ্ঞ দলকে আরেকবার কঠিন চ্যালেঞ্জের মধ্যে ফেলে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে আত্মবিশ্বাসে টইটম্বুর হতে চায় বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়েকে তাদের মাটিতে হারিয়ে দেশে ফিরে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৪-১ ব্যবধানে জেতার পর এবার কিউই বধের পালা।

বাংলাদেশ সময় বুধবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকাল চারটায় মিরপুরের শের-ই-বাংলায় শুরু হচ্ছে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ। ম্যাচটি সরাসরি সম্প্রচার করবে বাংলাদেশের বেসরকারি টিভি চ্যানেল টি স্পোর্টস। অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশের দাপটের পর নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষেও মাঠে নামার আগে আলোচনায় উইকেট। স্বাভাবিকভাবেই স্পোর্টিং উইকেটের দাবি করা হলেও ধারণা করা হচ্ছে, স্লো আর লো উইকেটেই হবে টাইগার আর কিউইদের লড়াই। সেটা মাথায় রেখেই প্রস্তুতি সেরেছে নিউ জিল্যান্ড। মাউন্ট মঙ্গানুইয়ের স্লো ও লো পিচে নিজেদের ঝালিয়ে নিয়েছে। সাকিব আল হাসান ও নাসুম আহমেদদের সামলাতে মঙ্গলবারের (৩১ আগস্ট) শেষ প্রস্তুতিতেও সাপোর্ট স্টাফ ও ব্যাটসম্যানদেরও স্পিনার বানিয়ে ব্যাট করেছেন সফরকারী ক্রিকেটাররা।

বাংলাদেশের আক্রমণাত্মক ব্যাটসম্যান ও স্পিনারদের নিয়েই যত ভয় কিউই অধিনায়ক টম ল্যাথামের, ‘তারা সবদিক থেকে আমাদের জন্য হুমকি। আমরা দেখেছি অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তারা কেমন করেছে? তাদের বেশ ভালোমানের স্পিনার রয়েছে এবং অনেক অভিজ্ঞ খেলোয়াড় রয়েছে। তাদের স্পিনারদের বিপক্ষে আমাদের ব্যাটিং চ্যালেঞ্জিং হবে। ভয়ডরহীন ব্যাটসম্যান আছে যারা ম্যাচটা একাই নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।’

অস্ট্রেলিয়ার মতো সহজে নিউ জিল্যান্ডকে হারানো যাবে না মনে করেন মাহমুদউল্লাহ। এজন্য বেশ সতর্ক বাংলাদেশ অধিনায়ক, ‘ওরা খুব ভালো দল। নিউ জিল্যান্ড এমন একটা দল, যারা খুব ভালো হোমওয়ার্ক করে এবং খুব শৃঙ্খল। ওরা যে পরিকল্পনা করে সেই পরিকল্পনাতেই সব সময় ঠিক থাকার চেষ্টা করে। আমার মনে হয় আত্মবিশ্বাস নিয়ে খেলাটা গুরুত্বপূর্ণ। মিরপুরের উইকেটের কন্ডিশনে মানিয়ে নেওয়াটা গুরুত্বপূর্ণ। ব্যাটিং করি বা বোলিং করি। এই জিনিসগুলো শুরুতেই করে ফেললে দলের জন্য ভালো।’

বাংলাদেশের স্পিন বোলিংয়ে এবারো ভরসা সাকিব ও নাসুম। আর মোস্তাফিজুর রহমান অস্ট্রেলিয়া সিরিজের মতো বৈচিত্রময় বোলিং করলে নিউ জিল্যান্ডের ব্যাটসম্যানরাও নাকানিচুবানি খেতে পারেন। অফস্পিনার মেহেদী হাসান তো আছেনই শুরুতে ব্রেক থ্রু আনার জন্য, গত সিরিজের মতোই প্রথম কয়েক ওভারে তিনিই ভরসা। দলের ব্যাটিং অর্ডার শক্তিশালী হচ্ছে মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাস ফেরায়। ওপেনিং নিয়ে তাই নির্ভার বাংলাদেশ। এখন কেবল ব্যাটিংয়ে শুরুটা ভালো হলেই হয়।

নিউ জিল্যান্ডের কলিন ডি গ্র্যান্ডহোম, স্কট কুগেলেইন ও ল্যাথামই কেবল অন্তত ১০টি টি-টোয়েন্টি খেলেছেন। ল্যাথাম তার ১৩ টি-টোয়েন্টির শেষ ম্যাচটি খেলেছেন ২০১৭ সালে। তার কাঁধেই গোটা দলের নেতৃত্ব। হেনরি নিকলস, টম ব্লান্ডেল ও উইল ইয়াংকে নিয়ে তার কঠিন পরীক্ষা। তিন নবাগত কোল ম্যাককনচি, রাচিন রবীন্দ্র ও বেন সিয়ার্সকে উপমহাদেশীয় কন্ডিশনে মানিয়ে নিয়ে সামর্থ্যের প্রমাণ দিতে হবে। এক কথায় অস্ট্রেলিয়া সিরিজ থেকে শিক্ষা নিয়ে প্রস্তুতি নিলেও নিউ জিল্যান্ড সংশয়ের মধ্যে যে নেই, তা বলা যাবে না। কারণ সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স আর হোম কন্ডিশন অনুযায়ী বাংলাদেশই ফেভারিট। আর শুভ সূচনা করে সেই মর্যাদা আরো মজবুত করতে চায় স্বাগতিকরা।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি
Theme Developed BY : Sky Host BD