1. dev@desher.news : Admin : desher news
শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০১:৩৮ পূর্বাহ্ন

ব্যর্থ কোহলিকে টেন্ডুলকারের পরামর্শ নেওয়ার আহবান

অনলাইন ডেস্কঃ
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ২৭ আগস্ট, ২০২১

নিক কম্পটন ম্যাচের আগেই একটি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছিলেন বিরাট কোহলির দিকে। সাবেক ইংলিশ ব্যাটসম্যান বলেছিলেন মুখে আগ্রাসন না দেখিয়ে একটা সেঞ্চুরি করতে। ২০১৯ সালে বাংলাদেশের বিপক্ষে কলকাতা টেস্টে সেঞ্চুরি করার পর তিন ফরম্যাটের ক্রিকেটেই আর সেঞ্চুরির দেখা মিলছে না কোহলির। জবাব দেওয়াটা আসলেই জরুরি হয়ে উঠেছে কোহলির জন্য।
লিডসে প্রথম ইনিংসে অন্তত সেটা করা হয়নি কোহলির। আবার জেমস অ্যান্ডারসনের বলে টেকনিকের গলদ দেখিয়ে ফিরে গেছেন কাল। অধিনায়কের এই করুণ দশা ভারতীয় ইনিংসেও ছাপ ফেলেছে। ৭৮ রানে গুটিয়ে যাওয়া ভারত প্রথম দিনেই পিছিয়ে আছে ৪২ রানে। সুনীল গাভাস্কার অবশ্য দল নয়, কোহলিকে নিয়েই বেশি চিন্তিত। উত্তরসূরিকে এ অবস্থা কাটিয়ে উঠতে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে বলেছেন। আর সে ব্যবস্থার একটি হলো শচীন টেন্ডুলকারকে ফোন করা।
সেঞ্চুরি যে প্রায় দুই বছর ধরে পাওয়া হচ্ছে না, সেটা এখন সবাই জানেন। গতকাল অ্যান্ডারসনের বলে আউট হওয়ায় আরেকটি ব্যাপারও ঘটল। টেস্টে গত আট ইনিংসে ফিফটির দেখা পাননি কোহলি। গতকাল ১৭ বলে ৭ রান তুলেই ফিরেছেন অ্যান্ডারসনের বলে। টেস্টে এ নিয়ে সাতবার কোহলি আউট করলেন ইংলিশ পেসার। একমাত্র অস্ট্রেলিয়ান অফ স্পিনার নাথান লায়নই এতবার কোহলিকে টেস্টে আউট করতে পেরেছেন। এ সিরিজেই ট্রেন্ট ব্রিজে কোহলিকে প্রথম বলে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন অ্যান্ডারসন।
এভাবে বারবার অ্যান্ডারসনের বলে দ্রুত ফিরে যাওয়ায় একটি ব্যাপার স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। কোহলির দুর্দান্ত ব্যাটিং টেকনিকের কোথাও চিড় ধরেছে। আর ইংলিশ কন্ডিশনে অ্যান্ডারসন, রবিনসনরা সেই চিড়কেই বড় ধরনের ফাটল বানিয়ে ফেলছেন। কাল আরও একবার কোহলি দৃষ্টিকটুভাবে ফিরে যাওয়ার পর উদ্বিগ্ন গাভাস্কার বলেছেন, ‘ওর উচিত খুব দ্রুত শচীন টেন্ডুলকারকে ফোন দেওয়া এবং জিজ্ঞেস করা আমার এখন কী করা উচিত?’
গতকাল ইনিংসের ১১তম ওভারে অফ স্টাম্পের বাইরের এক বলে পা না নাড়িয়েই ড্রাইভ করতে গিয়ে ক্যাচ দিয়েছেন উইকেটকিপারের কাছে। এ নিয়ে ক্যারিয়ারে টানা ৫০ ইনিংসে সেঞ্চুরি পেলেন না কোহলি। ক্যারিয়ারে এর আগে প্রতিবছরই সেঞ্চুরি পাওয়া কোহলির জন্য ব্যাপারটা একদম নতুন। ক্যারিয়ারের একপর্যায়ে প্রতি ৬.২৫ ইনিংসে একটি সেঞ্চুরি করা ব্যাটসম্যানের এমন হাল দেখে তাই চিন্তিত গাভাস্কার। বিশেষ করে এই সিরিজে কোহলির বারবার অফ স্টাম্পের বাইরে বলে আউট হওয়া দেখে ২০১৪ সালের ইংল্যান্ড সফরের কথা মনে পড়ছে সবার।


সেবার পাঁচ ম্যাচে কোনো ফিফটি না করা কোহলি নিজের ক্যারিয়ারের অন্যতম বাজে সিরিজ কাটিয়েছিলেন। কিন্তু গাভাস্কার এ সিরিজে আরও দুশ্চিন্তা করার মতো কারণ খুঁজে পাচ্ছেন, ‘এটা বেশ দুশ্চিন্তার ব্যাপার মনে হচ্ছে। কারণ, সে পঞ্চম, ষষ্ঠ, এমনকি সপ্তম স্টাম্পে আউট হচ্ছে। ২০১৪ সালে সে অফ স্টাম্পের আশপাশেই বেশি আউট হয়েছে।’ তাঁর ধারণা, ২০০৩-০৪ মৌসুমে সিডনি টেস্টে টেন্ডুলকার যে পদ্ধতি কাজে লাগিয়েছিলেন, সেটা ব্যবহার করে দেখতে, ‘ওর উচিত শচীন সিডনিতে যা করেছিল, সেটা করা। নিজেকে বলা, “আমি কাভার ড্রাইভ খেলব না।”’
সেবার সিরিজে বারবার অফ স্টাম্পের বাইরের বলে ড্রাইভ করতে গিয়ে খোঁচা দিতে গিয়ে আউট হচ্ছিলেন টেন্ডুলকার। সিডনিতে সেঞ্চুরি পেরোনোর আগে কাভার ড্রাইভ করেনইনি টেন্ডুলকার। সেদিন ডাবল সেঞ্চুরি (২৪১) করেছিলেন ‘লিটল মাস্টার।’


আরেক লিটল মাস্টারের পরামর্শ শুনবেন কি কোহলি? একটা পাদটীকা যুক্ত করে দেওয়া যাক, অ্যান্ডারসনের জন্য টেন্ডুলকারের পরামর্শ কতটা কাজে লাগবে, তা নিয়ে প্রশ্ন জাগতে পারে। এখন পর্যন্ত ২৩ টেস্টে ৭ বার অ্যান্ডারসনের বলে আউট হয়েছেন কোহলি। টেন্ডুলকার কিন্তু ১৪ টেস্টে অ্যান্ডারসনের বলে আউট হয়েছে ৯ বার!

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি
Theme Developed BY : Sky Host BD